Virtual Mastercard Bangladesh Online Scam

Stay away form new scam system of virtual mastercard in Bangladesh.Read details How they do steal your dollar by giving faults words not mastercard. বাংলাদেশে ভার্চুয়াল মাস্টারকার্ড প্রতারনা ! সেবার নামে সর্বনাশ !!

Warning About Virtual Mastercard Bangladesh

মাস্টার কার্ড ও তার প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়ে বলার মত নয়। কিন্তু আমাদের দেশে অনেকেরই বিভিন্ন কারনে নিজস্ব কোন মাস্টার কার্ড নেই। আর সেই সব কার্ড বিহীন লাখো মানুষের অস্থায়ী প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহৃত হয় ভিসিসি VCC কার্ড অর্থাৎ Virtual Credit Card

VCC এমন একটি কার্ড সিস্টেম যেটিতে আপনি বাস্তবে কোন কার্ড পাবেন না, কেবল ইমেজ অথবা কার্ডের তথ্য পাবেন । যার দ্বারা অনলাইনে লেন-দেন করতে পারবেন কিন্তু হাত দিয়ে ধরতে পারবেন না বা কোন এটিএম বুথে ঢুকাতে পারবেন না।

আমার আলোচনার মূল বিষয় এই কার্ডের পেছনে লুকিয়ে থাকা স্ক্যাম বা প্রতারনা নিয়ে।

অনলাইনে কেনাকাটা বা লেনদেন যখন একান্তই প্রয়োজনীয় হয় কিন্তু যেহেতু কার্ডের অভাব তখন অনিচ্ছাতেও মন চলে যায় একটা Virtual Mastercard এর দিকে। আপাতত কাজ চালিয়ে নেবার জন্যে হলেও বা অন্য কোন প্রয়োজনে বিভিন্ন অপরিচিত সাইটে আমরা একটা VCC কার্ডের আবেদন করে বসি।আর সেই আবেদনের প্রয়োজনে আমাদের ব্যক্তিগত তথ্য (ভোটার আইডি/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাই:) একটা ভন্ডদের হাতে বিনা দ্বিধায় তুলে দেই।

যাইহোক ফরমালিটি পূরণ করে কার্ডের আবেদন করলেন, হয়ত ২৪ ঘন্টার মধ্যে কার্ডের তথ্যও হাতে পেলেন। তারপর ?
তারপরের কাজগুলোর একটা তালিকা আমি দিচ্ছি এবার।

• প্রত্যেকবার কার্ডটি লোডের জন্য আপনাকে তাদের প্রদত্ত নাম্বার বা পেমেন্ট মাধ্যমে বাড়তি রেটে ডলার কিনে কার্ডে লোড করার জন্য তাদের কাছে টাকা পাঠাতে হবে।
• আবেদনের শুরুতেই রিচার্জ করেছেন নিশ্চয়, কার্ডকে কে একটিভ রাখার জন্য আপনার কার্ডে সব সময় ১০-২০ ডলার পড়ে জমা থাকতে হবে। ওটা আর কোনদিন তুলতেও পারবেন না।
• অল্প টাকা দিয়ে কি আর করবেন, আবার লোড করার জন্য টাকা পাঠান।
• জরুরী কাজের জন্য টাকা দিলেন অথচ লোড করতেই ৫ দিন চলে গেলো।
• ২০০ ডলার রিচার্জ করলেন, ৫০ ডলার খরচ করলেন। আর ৫ দিন পর একাউন্ট চেক করে দেখলেন ৫০ ডলার গায়েব এখন মাত্র ১০০ ডলার পরে আছে !তাদের সাথে যোগাযোগ করলেন, তারা আপনাকে একটা Transaction ID দিয়ে বললো”আপনি এখানে টাকা লেন-দেন করেছেন, তাই টাকা কেটেছে”।কিন্তু আপনি জানেন যে আপনি একটা বিড়িও কিনে খাননি।
Cross Border Charge হিসাবে প্রতি লেন-দেনে ৭ ডলারের বেশী এক্সট্রা একটা চার্জ কেটে নেয়া হবে।
• অনেকদিন ধরে কাজ করছেন, আপনার বিশ্বস্ত কোম্পানীতে পরিনত হয়েছে।ভাবছেন, বন্ধুদেরকেও বলবেন, এবং নিজেও দু একটা কার্ড সেল করবেন। যাইহোক, ৫০০ ডলার লোড দিলেন। ২ দিন পর দেখলেন একাউন্টে লগ-ইন করতে পারছেন না, অথবা আদরের কার্ডটি কাজ করছে না ! অপেক্ষায় থাকবেন না, হয়ত ঐ কার্ড আর কোনদিন কাজ করবেও না।

একটা কথা মনে রাখবেন,শুধু আপনার ৫০০ ডলারের টাকা দিয়ে অমন সাইট গোটা ত্রিশেক বানিয়ে ফেলা যায়।

আজই সতর্ক হোন।বিশেষ করে তখন :-

 যদি বুঝতে পারেন, কোন কোম্পানী বাংলাদেশের।
 তাদের সাথে তাৎক্ষনাত সরাসরি যোগাযোগের জন্য কোন ফোন নাম্বার দেওয়া নেই।আর তা থাকলেই বা কি !
 সাপোর্ট হিসাবে ফেইসবুক অথবা স্কাইপি লাইভ চ্যাট ছাড়া আর কিছু নেই।
 কার্ড থেকে ব্যালান্স চুরি হচ্ছে।
এমন কিছু আপনার দৃষ্টিগোচর হলে, আজই সতর্ক হোন।হয়ত ভবিষ্যতের অনেক বড় লোকশান থেকে বেঁচে যেতে পারেন।

তাহলে উপায় কি?

 চেষ্টা করুন একটা নিজস্ব মাস্টার কার্ডের ব্যবস্থা করার। বাংলাদেশে থেকে আপনি দু ধরনের মাস্টার কার্ড পাবেন। ১। পেওয়োনিয়ার ফ্রি মাস্টার কার্ড ২। পেজা পেয়িড মাস্টার কার্ড।
 মাস্টার কার্ডের ব্যবস্থা না হলে, বন্ধু বান্ধব বা সিনিয়র কোন ফ্রিল্যান্সার এর সহযোগীতায় পেমেন্ট করুন।তাকে তার খরচ বাদেও বাড়তি ৫০০ টাকা বা তার বেশী দেবার প্রতিশ্রুতি দিন।তবু ৫০০ ডলার হারানোর দুঃখ আপনাকে পোহাতে হবে না।
 দু,দিন পরে হোক তবু নির্ভর যোগ্য সোর্স ছাড়া টাকা লেন-দেন একদম করবেন না, অন্যথায় হয়তো বাশঁ খেয়ে যেতে পারেন।

সবশেষে নীচে কিছু VCC কার্ডের সাইটের URL দিলাম।আমার উপড়ের কথার আলোকে আপনারা বিচার করে তবেই ব্যবহার করবেন।সবচেয়ে উপড়ের URL টি অলরেডি দীর্ঘদিন সার্ভিস দেবার পর কয়েক মাস আগেই গায়েব হয়ে গেছে।আল্লাহই ভাল জানেন হাজার না লাখ ডলার নিয়ে গায়েব হলো।

bdcard.co.uk
card.com.bd/fee/
royaltechbd.com/card-apply/

এ্র্ই পর্বে বিদায় নিচ্ছি, সবাই নিরাপদে থাকুন।ভাল থাকুন। আপনার যদি ব্যক্তিগত কোন VCC অভিজ্ঞতা থাকে, অবশ্বই কমেন্ট করে জানা্বেন।পোষ্টটি ভাল লাগলে বাকি ভাইদের জানানোর স্বার্থে শেয়ার করবেন।

You might also like
Comments
Loading...