Home / Discussion / 7 Wrong Ideas About Technology প্রযুক্তিগত কিছু ভূল ধারনা!

7 Wrong Ideas About Technology প্রযুক্তিগত কিছু ভূল ধারনা!

Common 7 Wrong Ideas About Technology !

প্রযুক্তি সম্পর্কে আমাদের অনেকের মনেই বেশ কিছু ভূল ধারনা আমাদের মনের মধ্যে চলে আসছে বহুদিন ধরে। কিন্তু সে সকল প্রচলিত ধারনার অধিকাংশই যে আর বর্তমান প্রেক্ষাপটে অচল এইটা এখনও আমরা অনেকেই জানি না। Read 7 Wrong Ideas about on computer and it.

নুতন ব্যাটারি চার্জের বিষয়ে ভুল ধারণা:
নুতন ফোন কেনার পর দোকানদার বা অন্য সবাই ব্যাটারিকে ভালোভাবে ফুল চার্জ করে নিতে বলে। যেমন ৮ ঘন্টা চার্জ লাগবে এরকম কত কিছু। কিছু ক্ষেত্রে আবার ভয় দেখানো হয় যে এটি কখনোই সারারাত চার্জে দেওয়া যাবে না, ওভারচার্জ হয়ে যাবে অথবা চার্জ একেবারে শুন্যও করা যাবে না। ইত্যাদী।

বাস্তবতা হলো এগুলো পুরনো ব্যাটারির প্রযুক্তি অনুযায়ী ঠিক আছে। এরকম উক্তি বা সাবধানতা বিশেষ করে নিকেল ক্যাডমিয়াম যাতীয় ব্যাটারির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লিথিয়াম প্রযুক্তির ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়। আর এসব ব্যাটারির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাতে অতিরিক্ত চার্জ হওয়া প্রতিরোধ সিষ্টেমও থাকে। সে কারণে আধুনিক ফোনের ব্যাটারি নিয়ে তেমন চিন্তা না করলেও চলে।

প্রাইভেট ব্রাউজিং এ ভূল ধারনা:
বর্তমান সময়ের বিভিন্ন ব্রাউজারে প্রাইভেট ব্রাউজিং নামে একটি অপশন রয়েছে । অনেকে ব্রাজউজারকারীই মনে করে থাকেন যে এর মাধ্যমে ব্রাউজ করলে সে নিরাপদ। যদিও ব্যপারটি সঠিক নয় তার ধারণাটি ভুল। প্রাইভেটভাবে ব্রাউজিংয়ে হয়ত ব্রাউজারে এর হিস্টোরি থাকে না কিন্তু হিস্টোরি থেকে যেতে পারে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের কাছে। এছাড়াও গুগল অথবা অন্য এমন সাইট আছে যারা কুকীজ ব্যবহার করে নিজেরাই ভিজিটরের হিষ্টোরী তাদের সার্ভারে নিয়ে নেয় যা পরবর্তী ৩০ থেকে ৬০ দিন পর্যন্তও থাকতে পারে।

ভিপিএন দিয়ে নিজেকে লুকানো:
অনেকেই বিভিন্ন ধরনের কাজে বা প্রাইভেট কিছু করতে বিশেষ করে গুগল এ্যাডসেন্স কে ফাকি দেওয়ার কাজে VPN Browser বা VPN Software ব্যবহার করে থাকেন।আর মনে মনে ভেবে থাকেন যে কি ফাকিটাই না দিলাম।কিন্ত আসলে ব্যপারটা সত্যি নয়।যে কোন প্রকার ভিপিএন ই ব্যবহার করা হোক না কোন ওটা যে ভিপিএন ছিলো সেটা কিন্তু ডিপ স্ক্যানে ধরা পড়ে যায়।

বেশী মেমোরি বেশী ক্ষমতা:
বর্তমান বাজারে স্মার্টফোন কিনতে গেলেই আমরা দেখি র‌্যাম কতখানি আছে বা কি প্রসেসর কতটুকু গতীর ফোনে ষ্টোরেজ কতখানি এইসব। আমরা ভাবি এসব বেশী হলেই বুঝি ফোনের কাজ করার ক্ষমতা বেশী হবে। ধারনাটি সম্পর্ণ ভূল। তবে জেনে রাখুন সংখ্যা মানেই সেরা নয়, কিছু ফোন কোম্পানীতো কেবল লিখেই দিয়েছে কাজের বেলায় তা যোগ করেনি। তাছাড়াও কিছু ফোনের ক্ষেত্রে কম সংখাতেও দ্রুততার সাথে কাজ করতে সক্ষম হয়। মনে রাখবেন, সেলফি তুলতে কিন্তু ২০ মেগাপিক্সেল বা ডিএসএলআর ক্যামেরা লাগে না আবার ফোরকে স্ক্রিনও প্রয়োজন হয় না। শুধু সংখ্যা দেখেই সবকিছু বিবেচনা নয়।

স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা বা ডিসপ্লের ব্রাইটনেস:
ফোন স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমিয়ে দিয়ে অনেকেই আমরা ব্যাটারি চার্জ সেভ করার চেষ্টা করে থাকি। বিষয়টি যদিও চোখের ওপর বাড়তি চাপ পড়তে দেয়না। এক্ষেত্রে অটো-ব্রাইটনেস করেও রাখা যেতে পারে তাহেল স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যাবে। যাহোক ব্যটারি পাওয়ার সেভিংয়ের জন্য কেবল ব্রাইটনেস কমানোটাই যথেষ্ঠ নয়, ফোনের রিংটোনস, অডিও ভিডিও ইত্যাদী সেটিংসও পরিবর্তন করে নিতে হবে।

দামি ফোন টেকসই হওয়া:
যে কোন মোবাইল ফোনই এখন ৬ মাস কি বছর চলার পরেই অর্ধমৃত অবস্থার মতো হয়ে যায়।যে কারনে কেও যদি একটি দামী ফেঅন কিনে দীর্ঘদিন ব্যবহারের কথা ভাবে তবে তার ধারনাটি সম্পূর্ণ ভূল। কেবল একটি ফোন কিনে বছরের পর বছর স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার সম্ভব নয়, নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোই সেটা হতে দিতে চান না। সত্যি বলতে অ্যাপলের আইফোনও এর ব্যতিক্রম ভুক্ত নয়। ফোন কোম্পানীগুলিই চায় যে পুরনো ফোনটি ফেলে নতুন করে আবার আরেকটি ফোন ক্রয় করা হোক। ফার্ম ওয়্যার, আইসি এমনকি সফটওয়্যার আপডেট এর মধ্য দিয়েও তারা সেই কাজটি করতে সক্ষম হয়। আদরের ফোনটির কোন হার্ডওয়্যার বা সিষ্টেম স্লো করে দেবার মাধ্যমে।

ডিলিট মানেই সব শেষ নয়:
অনেক ক্ষেত্রেই কম্পিউটার বা মোবাইল মেমোরির কোন কিছু মুছে দিয়ে সব শেষ ভেবে ওনেওয়াটাও মারাত্বক একটা ভূল। মেমোরী থেকে মুছে দেওয়া বা মুছে যাওয়া জিনিসকে পুনরুদ্ধার করাটা দক্ষ লোকের জন্য তেমন কঠিন কাজ নয়। একান্ত মেমোরি খালি করে সে স্থানে অন্য কোনো ফাইল বা কন্টে দিয়ে ভরাট করে রাখা যেতে পারে। তাহলে হয়ত কিছুটা কাজ হতে পারে। তবে আরো নিশ্চিত হওয়ার জন্য কিছু হার্ড ড্রাইভ ইরোজার টুল ব্যবহার করা যেতে পারে।

যাহোক বন্ধুরা, লেখাটা বড় হয়ে গেলো। আরো কিছু টেক ভুল নিয়ে আবার কথা হবে সবার সাথে। আপনাদের সাজেষ্টেড কথাগুলি কমেন্ট করে জানাবেন। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন। এই ব্লগ থেকে আরো পড়ুন Youtube Video Uploading New Rules বাজে ভিডিও আপলোডে ইউটিউবের নতুন নিয়ম ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *